ক্লাসে বা বই পড়ার সময় নোট নেওয়া প্রায় সবাই করেন, কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় পরে সেই নোট দেখে কিছুই বোঝা যায় না, কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোই বাদ পড়ে যায়। ভালো নোট তৈরি করাও একটা দক্ষতা, যা শেখা গেলে পড়াশোনা অনেক সহজ ও ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে। চলুন জেনে নিই কার্যকরী নোট তৈরির ৭টি পদ্ধতি।
১. নিজের ভাষায় লিখুন
শিক্ষক বা বইয়ের বাক্য হুবহু কপি না করে নিজের মতো করে সংক্ষেপে লিখুন। এতে বিষয়টি বোঝা সহজ হয় এবং পরে পড়লেও দ্রুত মনে পড়ে।
২. Cornell Note পদ্ধতি ব্যবহার করুন
পাতাকে তিন ভাগে ভাগ করুন — মূল নোট, পাশে ছোট কীওয়ার্ড/প্রশ্ন, আর নিচে সারাংশ। এই পদ্ধতিতে নোট রিভিশন করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
৩. পয়েন্ট আকারে লিখুন, প্যারাগ্রাফ নয়
বড় বড় বাক্যের বদলে ছোট ছোট পয়েন্টে নোট লিখুন। এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজে পাওয়া ও মনে রাখা দুটোই সহজ হয়।
৪. রঙ ও হাইলাইট ব্যবহার করুন
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সংজ্ঞা বা সূত্র আলাদা রঙে হাইলাইট করুন। চোখে সহজে পড়ার পাশাপাশি এটি স্মৃতিতে দ্রুত গেঁথে যায়।
৫. ডায়াগ্রাম ও মাইন্ড ম্যাপ যোগ করুন
জটিল বিষয় বোঝাতে ছোট চিত্র, ফ্লোচার্ট বা মাইন্ড ম্যাপ ব্যবহার করুন। ছবি দিয়ে বোঝানো তথ্য মস্তিষ্ক দ্রুত ও দীর্ঘদিন মনে রাখে।
৬. ক্লাসের পরপরই নোট গুছিয়ে নিন
ক্লাসে তাড়াহুড়ো করে লেখা নোট সেদিনই বাসায় এসে পরিষ্কারভাবে গুছিয়ে লিখুন। এতে বিষয়টি একবার রিভিশনও হয়ে যায় এবং নোট আরও গোছালো হয়।
৭. প্রতিটি নোটের শুরুতে তারিখ ও টপিক লিখুন
প্রতিটি নোটের ওপরে তারিখ ও টপিকের নাম লিখে রাখলে পরে খুঁজে পাওয়া সহজ হয়, বিশেষ করে পরীক্ষার আগে দ্রুত রিভিশনের সময় এটি অনেক কাজে আসে।
শেষ কথা
ভালো নোট মানেই বেশি লেখা নয়, বরং গুছানো ও বোধগম্যভাবে লেখা। উপরের পদ্ধতিগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে আপনার পড়াশোনা যেমন সহজ হবে, তেমনি পরীক্ষার আগে রিভিশনও হবে অনেক দ্রুত ও কার্যকর।

Thanks to comment Jibon Somossa official blog. Stay with us for more content. Follow us to Facebook. www.facebook.com/jibonsomossa.blog