পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ রয়েছে যারা কখনো Interview crack করতে পারেনা৷
১ঃ- Under Confident
১ঃ- Overconfident
এই মানুষ গুলো আসলে কী ভাবে আর এদের সাথে আসলে কী হয়?
1:- Under Confident
এই মানুষ গুলো ঠিক এইভাবে চিন্তা করে, আরে আমিতো কতো Interview দিলাম কিন্তু আজ পর্যন্ত একটা চাকরিও হলো না৷ আমাকে তো আমার মুখ দেখেই বাদ দিয়ে দেয়৷ আর যদি কিছু না পায় তখন বলে আমার তো ভাগ্যটাই খারাপ৷ তাদের এই ধরনের চিন্তা ভাবনা তাদেরকে ভিতর থেকে আস্তে আস্তে শেষ করে দেয়৷
1:- Overconfident
এদের ক্ষেএে যেটা হয় সেটা হলো, এরা কোন না কোন মোটিভেশনাল ভিডিও অথবা মোটিভেশনাল বই পড়ে Interview দিতে চলে যায়৷ আর মনে মনে ভাবতে থাকে এই আমি যাচ্ছি আর চাকরিটা যদি কেউ পেয়ে থাকে তাহলে সেটা আমিই পাবো৷ আমাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না৷ এই ধরনের চিন্তা ভাবনাকে তারা বলে Positive Thinking কিন্তু আসলে এগুলো Positive Thinking না, এগুলো হলো Wishful Thinking. এদেরকে আপনি যদি শুধু একটা প্রশ্ন করেন যে, কেন ভাই শুধু তুমিই কেন চাকরিটা পাবে? অন্যরা কেন পাবেনা? ডিগ্রি কী শুধু তোমার একারই আছে? Life এ Problem কী শুধু তোমার একারই আছে? বাকিরা যারা Interview দিতে এসেছে তারা কী সবাই গাধা? এই প্রশ্নগুলো যখন করবেন তখন আপনি এদের কাছে কোন উওর পাবেন না আর যদি উওর দিয়েও থাকে তাহলে সেটা হবে অযৌক্তিক৷
ঠিক যেই মুহূর্ত থেকে তারা তাদের Wishful Thinking গুলো বিশ্বাস করতে শুরু করে তখন থেকেই তারা তাদের স্বপ্নের রাজপ্রাসাদ তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে৷ ওয়াও, কতো বড় কোম্পানি, কতবেশি বেতন, এখানে কাজ করে আমি এটা কিনবো, ওটা কিনবো, এইরকম হাজারো ভাবনা তখন মন ভাবতে থাকে আর এগুলোর মধ্যে দিয়ে তাদের মনে আরো একটা জিনিস জন্ম নেয়৷ সেটা হলো ভয়৷ এটা অটোমেটিক তৈরি হয়ে যায়৷ তখন মনে আসে, যদি আমার এই চাকরিটা না হয়, আমি বিয়ে করবো কিভাবে? এতদিন ধরে যা যা ভেবে রেখেছি সেগুলো কিভাবে করবো? বাসার খরচ চালাবো কী দিয়ে?
এইসব ভয় মাথায় ধীরে ধীরে ভূত চেপে বসতে থাকে আর তাদের সম্ভাব্যকে নষ্ট করে দেয় ঠিক যেমনটা হয় Under Confident লোকের বেলায়৷
এখন চলুন কীভাবে চাকরির Interview সফল করে দিবেন সেটা জেনে নেই৷
1:- Stop wishful thinking and start positive thinking
যিনি আপনাকে চাকরি দিবেন তার কাছে আপনার কী সমস্যা আছে বা না আছে সেটার কোন মূল্য নেই৷ আপনি চাকরি পেয়ে কী কিনবেন বা কী করবেন সেটাও কোন কিছুই তার কাছে কোন মূল্য রাখে না৷ সে-তো আর কোন দান করছে না যে, সে আপনার সমস্যা দেখবে, সে চাকরি দিচ্ছে৷ তার কাছে শুধু এটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, সে আপনাকে চাকরি দিলে তার কোম্পানির কী লাভ হবে৷ অতএব আপনার কী লাভ হবে সে কথা ভুলে যান আর তার বদলে আপনাকে চাকরু দিলে কোম্পানির কী লাভ হতে পারে সেই কথা চিন্তা করুন৷
2:- Research
এবার আপনি সেই কোম্পানিকে নিয়ে Research করতে শুরু করুন৷ আপনি তাদের সম্পর্কে জানুন, তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানুন, আপনাকে যে পোস্টের ব্যাপারে ডাকা হয়েছে সেই পোস্টের ব্যাপারে জানুন, সবকিছু জানার পরে আপনি আপনার নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনার দ্বারা তাদের কিভাবে লাভ হতে পারে৷
3:- Be ready 100% to give your 100%
যখন আপনি আপনার পুরো চেষ্টা দিয়ে Research করে যাবেন এবং তারপর Job interview এর জন্য যাবেন তখন আপনার চিন্তা ভাবনা চাকরি পাওয়ার মতো না বরং পার্টনারশিপ পাওয়ার মতো হবে৷ অর্থাৎ আপনার মনোভাব এমন হবে,যদি আমাকে চাকরিটা দেওয়া হয় তাহলে আমার এবং কোম্পানি দুটোর জন্যই লাভ হবে৷ আর যদি চাকরিটা না দেওয়া হয় তাহলে আমাকে ছাড়াও এই কোম্পানির মালিক মূল্যবান একটা লোক হাতছাড়া করবে৷ একদম এইরকম Attitude আর Confidence আপনার ভিতরে থাকা চাই৷ আর এটা কোন Imagination এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হবেনা বরং Reality এর উপর ভিত্তি করে তৈরি হতে হবে৷ কারন আপনি সেখানে কাউকে ঠকাতে যাচ্ছেন না৷ ঠিক যেমনটা আপনি আপনার ১০০% দিনেন চাকরি পাওয়ার জন্য ঠিক তেমনটাই ১০০% দিবেন চাকরিটা পাওয়ার পর৷ যখন আপনি ১০০% Research করে যাবেন Interview দেওয়ার জন্য তখন আপনাকে এগুলো মুখে বলতে হবেনা আপনার চোখে মুখেই সেই আত্নবিশ্বাস ফুটে উঠবে৷
.webp)
Thanks to comment Jibon Somossa official blog. Stay with us for more content. Follow us to Facebook. www.facebook.com/jibonsomossa.blog